সুপার শপের কাউন্টার, এখন ট্যাবলেটে

বারকোড স্ক্যান করলেই বিল। অফার নিজে থেকে বসে, বিকাশ আর ক্যাশ একসাথে নেওয়া যায়, রসিদ প্রিন্ট হয়। ক্যাশিয়ারের প্রতিটা বাতিল আর ফেরত আপনার ফোনে ওঠে — দোকানে না থাকলেও। নেট বা কারেন্ট গেলেও বিক্রি থামে না।

ডেমোতে সব নাম আর হিসাব বানানো। মোবাইল, ট্যাবলেট বা কম্পিউটার — যেকোনোটায় খোলে।

হালখাতা সুপার শপের কাউন্টার: স্ক্যান করা পণ্য, অফার, সদস্য পয়েন্ট আর মোট টাকা
PC লাগে নাট্যাবলেট, স্ক্যানার, ৮০ মিমি প্রিন্টার আর ক্যাশ ড্রয়ার — একটা কাউন্টারের যন্ত্র মোটামুটি ৩০–৩৬ হাজার টাকায়
নেট ছাড়াও চলেলোডশেডিংয়ে টাওয়ার গেলেও বিক্রি চলে, নেট এলে সব কাউন্টার মিলে যায়
হিসাব হারায় নাকোনো বিল মোছা যায় না, শুধু নতুন এন্ট্রি দিয়ে ঠিক করা যায় — সব অডিটে থাকে
পুরো বাংলায়ক্যাশিয়ার থেকে মালিক — সবাই নিজের ভাষায়
১ · কাউন্টার

লাইন থামে না

স্ক্যানার যেকোনো সময় কাজ করে, কিছু চাপতে হয় না। একই পণ্য আবার স্ক্যান করলে সংখ্যা বাড়ে। স্কেলের ওজনের লেবেল পড়ে — আলু ৭৩৫ গ্রাম, দাম নিজে হিসাব হয়। তালিকায় না থাকা বারকোড এলে দাম লিখে বিক্রি চালু থাকে, ম্যানেজার পরে জুড়ে দেন।

পুরো টাকা ক্যাশে নিতে তিনটা চাপ। বিকাশ, নগদ অ্যাপ, কার্ড, বাংলা কিউআর মিলিয়ে নেওয়া যায়, বাকি থাকলে চেনা ক্রেতার খাতায় যায়।

টাকা নেওয়ার পাতা: বিকাশ আর ক্যাশ মিলিয়ে, ফেরত কত
২ · ক্যাশিয়ার

চুরির রাস্তা বন্ধ

বিল থেকে পণ্য বাদ, পুরো বিল বাতিল, ফেরত, দাম বদল বা বিক্রি ছাড়া ড্রয়ার খোলা — ম্যানেজারের পিন ছাড়া হয় না, আর কার পিনে হলো সেটা লেখা থাকে।

শিফট শেষে ক্যাশিয়ার নোট গুনে লেখেন, কিন্তু সিস্টেমে কত থাকার কথা সেটা দেখতে পান না। ম্যানেজার পিন দিয়ে মেলান — কম হলে সাথে সাথে মালিকের তালিকায়।

শিফট বন্ধ: ক্যাশিয়ারের নোট গোনা আর ম্যানেজারের হিসাব, কম টাকা চিহ্নিত
৩ · মালিক

দোকানে না থেকেও দোকানে

ফোনে আজকের বিক্রি, কোন কাউন্টারে কে বসে আছে, কত বিল, ড্রয়ারে কত থাকার কথা — লাইভ।

“সন্দেহজনক” তালিকায় শুধু সেই কাজগুলো ওঠে যেখানে টাকা সরানো সম্ভব। মেয়াদ শেষ হতে চলা পণ্য, শেষ হয়ে আসা পণ্য, মহাজনের পাওনা আর এ মাসের ভ্যাট — এক পাতায়।

মালিকের ফোন: আজকের বিক্রি, কাউন্টার, সন্দেহজনক তালিকা
৪ · পণ্য

ছবিসহ পণ্য, অফার নিজে থেকে

প্রতিটা পণ্যের ছবি — ট্যাবলেটের ক্যামেরায় তুলুন, বা বারকোড দিয়ে নাম দেওয়া ছবির ZIP একবারে দিন। খোঁজার সময়, বিলে আর ক্রেতার স্ক্রিনে ছবি দেখা যায়।

“২টা কিনলে ১টা ফ্রি”, “৬টা একসাথে ৳১৫০”, সদস্য দাম — বিলে নিজে বসে যায়। ক্রেতার ফোন নম্বরে পয়েন্ট জমে, রসিদে লেখা থাকে।

পণ্যের তালিকা ছবিসহ, অফারের চিহ্ন, স্টক কম আর ছবি নেই ফিল্টার
৫ · ক্রেতা

ক্রেতা নিজের চোখে দেখেন

কাউন্টারের দ্বিতীয় স্ক্রিনে ছবিসহ প্রতিটা পণ্য, মোট টাকা, আজ কত সাশ্রয় হলো আর পয়েন্ট। ফাঁকা সময়ে আজকের অফার ঘোরে। দামের তর্ক কমে, অফার বিক্রি বাড়ায়।

ক্রেতার স্ক্রিন: পণ্যের ছবি, মোট টাকা, সাশ্রয় আর পয়েন্ট
৬ · পেছনের কাজ

মাল, মেয়াদ, ভ্যাট, দিনের শেষ

মাল তোলার সময় কেনা দাম আর মেয়াদ লিখুন — স্টক, গড় কেনা দাম আর মহাজনের পাওনা একসাথে বদলায়। তাক ধরে স্টক গুনে পার্থক্য কারণসহ ঠিক করুন।

পুরনো সফটওয়্যার বা ডিস্ট্রিবিউটরের এক্সেল থেকে হাজার হাজার পণ্য একবারে আসে — আগে যাচাই, ভুল সারি ধরে দেখায়। দিনের শেষে প্রতি কাউন্টারের জেড রিপোর্ট আর মাসের ভ্যাটের হিসাব এক্সেলে।

দিনের শেষ জেড রিপোর্ট: পেমেন্টের ধরন, ভ্যাট অংশ, বাতিল, ড্রয়ারের হিসাব

নেট নেই, কারেন্ট নেই — তবুও বিক্রি চলবে

প্রতিটা কাউন্টার নিজের মধ্যে পুরো দোকান রাখে। নেট না থাকলেও স্ক্যান, বিল, প্রিন্ট সব চলে; ট্যাবলেট নিজের ব্যাটারিতে চলে। নেট এলে কাউন্টারগুলো নিজে থেকে মিলে যায় — একটা বিলও দুবার হয় না, একটাও হারায় না। প্রতি রাতে সার্ভারে ব্যাকআপ, আর আপনার পুরো হিসাব যখন খুশি এক্সেলে নামিয়ে নিতে পারেন।

যা জানতে চান

কী কী যন্ত্র লাগবে?

একটা Android ট্যাবলেট (১০ ইঞ্চি), একটা USB বারকোড স্ক্যানার, ৮০ মিমি থার্মাল প্রিন্টার আর ক্যাশ ড্রয়ার। অথবা Sunmi-র মতো POS মেশিন, যেটায় প্রিন্টার আর দ্বিতীয় স্ক্রিন আগে থেকেই থাকে। কোনটা আপনার দোকানে ভালো, আমরা দেখে বলে দেব।

এখনকার সফটওয়্যারের পণ্যের তালিকা কি আনা যাবে?

হ্যাঁ। এক্সেল বা CSV ফাইল থেকে নাম, বারকোড, দাম, ভ্যাট সব একবারে আসে। ভুল থাকলে সারি ধরে দেখায়, ঠিক করে আবার দিলেই হয়।

কয়টা কাউন্টার চালানো যায়?

এক থেকে চারটা বা তার বেশি — সব কাউন্টার একই স্টক থেকে বিক্রি করে, আর মালিক সবগুলো এক ফোনে দেখেন।

ভ্যাটের হিসাব?

দাম ভ্যাটসহ ধরা হয় (এমআরপির নিয়ম মেনে)। প্রতিটা পণ্যে ভ্যাটের হার দেওয়া যায়, রসিদে বিন আর ইনভয়েস নম্বর থাকে, দিন আর মাসের ভ্যাট অংশ রিপোর্টে আসে।

দাম কত?

কাউন্টার কয়টা আর কী যন্ত্র লাগবে তার ওপর নির্ভর করে। WhatsApp-এ দোকানের নাম আর কাউন্টার সংখ্যা লিখুন, পুরো হিসাব পাঠিয়ে দিচ্ছি। কোনো বিরক্তিকর সেলস কল করব না।

এখনই কি চালু করা যাবে?

এখন অল্প কয়েকটা পাইলট দোকান নিচ্ছি — সেটআপ, পণ্যের তালিকা তোলা আর প্রথম সপ্তাহ পাশে থাকা আমাদের দায়িত্ব। আগ্রহী হলে WhatsApp করুন।

দুই মিনিটে নিজে চালিয়ে দেখুন

ডেমোতে স্ক্যান, অফার, বিকাশ-ক্যাশ, ম্যানেজারের পিন, শিফটের হিসাব আর মালিকের ফোন — সব চালু।

ছোট মুদি দোকান? একজনই বসেন? হালখাতার ফোনের অ্যাপ — বিক্রি, বাকি, মাল আর ক্যাশ। ফ্রি, নেট ছাড়াই চলে।
অ্যাপ ডাউনলোড ও নিয়ম